Pages

Saturday, August 20, 2011

দ্বাদশ ভাব থেকে কি কি বিচার হয়


  1. প্রথম ভাব হতে শরীর, বর্ণ, আকৃতি, যশ, গুণ, স্থান, সুখাসুখ, প্রবাস ও দৈহিক শক্তিমত্তা বিচার্য্য।
  2. দ্বিতীয় ভাব বা ধন স্থান থেকে-ধন সম্পর্কীয় বিষয়, নেত্র, মুখ, বাক্য, কুটুম্ব, মাসী/খালা, মায়ের বড় বোন ও ভাই, খাদ্য দ্রব্য স্বর্ণাদি ধাতু এবং ক্রয়-বিক্রয়ের শুভাশুভ বিচার্য্য।

ইসলামের দৃষ্টিতে রত্ন-পাথর ও তার ব্যবহার


মানব জাতির সার্বিক মঙ্গলের জন্য ইসলাম বস্তু জগতের সব রকম কল্যাণ ও অকল্যাণের ব্যাপারে সুস্পষ্ট ইঙ্গিত প্রদান করেছেন। জ্ঞান রাজ্যের সকল শাখা সম্পর্কে ইসলামের মৌল ও একমাত্র গ্রন্থ আল কুরআন হচ্ছে সুবিসৃত প্রামান্য দলিল। এই আল-কুরআন সমগ্র মানব-জাতির জন্য প্রয়োজনীয় সকল বিষয়ে সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে আলোকপাত

কৃত্তিম উপায়ে তৈরী রত্ন


মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। কথায় বলে মানুষের অসাধ্য কিছু নেই মানুষ অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করেছে ও করছে। রত্ন-পাথরের ক্ষেত্রেও পিছিয়ে নেই, কৃত্রিম উপায়ে রত্ন-পাথর তৈরী করতেও সক্ষম হয়েছে মানুষ।

রত্ন পাথর আসল কি নকল বুঝবেন কিভাবে


আজকাল বাজারে নানা রকম রত্ন- পাথর পাওয়া যায়। চোখ ধাঁধিয়ে যায় তাদের রং আর উজ্জল বর্ণচ্ছটার আভা দেখলে। কিন্তু এত সব রত্ন পাথরের ভিড়ে কি করে চেনা যাবে কোনটা আসল, কোনটা নকল তা এখানে বলছি। রত্ন- পাথর 

রত্ন-পাথরের যত্ন


যে কোন বস্তুর প্রতি যথার্থ যত্ন নিলে তা যেমন দীর্ঘস্থায়ী উজ্জ্বল ও সুন্দর থাকে, রত্ন-পাথরের বেলায়ও তাই। আর তা’নাহলে অযত্ন, অবহেলায় রত্ন-পাথর নেহায়েত সাদামটা, মেটমেটে, মলিন একরাশ সাধারণ খনিজ পদার্থের সামিল মনে হবে। শুধু তাই নয় এই সব রত্নের প্রাকৃতিক গুণাগুণ অর্থাৎ এর অন্তস্থ শক্তিরও হানি হতে পারে।

রত্ন-পাথর এর বিভিন্ন কাটিং ও নমুনা


রত্ন-পাথর খনি থেকে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এর ঔজ্জ্বল্য ও জ্যোর্তিময়তা প্রকাশ পায় না। বিভিন্ন জ্যামিতিক আকারে ছোট বড় বিভিন্ন কাটিং ও পালিশ করার পরই রত্ন-পাথরের উজ্জ্বল ও সৌন্দর্য জৌলুস ফুটে ওঠে। এক এক রকম রত্ন-পাথরের গুণাবলী প্রকাশের জন্য এক এক রকম আকৃতি উপযুক্ত।

Sunday, July 17, 2011

শরীরে তিলের তাৎপর্য

মানুষের শরীরের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন রকম তিল হতে পারে। স্থানভেদে এসব তিল বিভিন্ন তাৎপর্য বহন করে। কারও ক্ষেত্রে শুভ। আবার কারও ক্ষেত্রে অশুভ। এ তাৎপর্য নির্ভর করে চারটি বিষয়ের ওপর। সেগুলো হলো_ আয়তন, রং, কেশময়তা ও আকার। অর্থাৎ চারটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে ফলাফল। তিল খুব বেশি গাঢ় রংয়ের হলে ফল অশুভ। তিলের ওপর লোম বেশি হলে লক্ষণ অশুভ। স্থানভেদে এসব তিলের তাৎপর্য পাল্টে যায়। বিভিন্ন জার্নাল, পঞ্জিকা এবং এ সংক্রান্ত সর্বশেষ গবেষণালব্ধ তথ্যাদি নিয়ে লিখেছেন_ শামছুল হক রাসেল